বাসর রাত

 


(১৮+ এলার্ট)


--- আচ্ছা বাবু এই কন*ডম দিয়ে কি করবে?

--- এটা দিয়ে করলে কোন মেডিক্যাল প্রমান

থাকবে না।

--- বাবু আমার না ভয় করছে?ব্য*থা লাগবে

না তো?

--- আমাকে জড়িয়ে ধরলে তুমি সব ভুলে

যাবে।

--- বাবু বড় বোন বলেছে অনেক ক*ষ্ট হয়।

--- আহ এতো চিন্তা কিসের দেখবে সব ঠিক

হয়ে যাবে।

এটা বলে সোহান চারুর দিকে এগিয়ে গেলো।

চারুর লাল বেনারসি শাড়িটা খুলে ফেললো।

চারুকে দেওয়ালের সাথে চেপে ধরে কোমড়ে

হাত দিয়ে চাপ দিতেই চারু চোখ বুজে

নিলো।চারুকে কাছে টেনে বুকের সাথে বুক

লাগিয়ে চারুর নাকের সাথে নাক লাগিয়ে

দিলো।চারু কিছুটা আতকে উঠে জোড়ে জোড়ে

নিষ্শাষ নিতে লাগলো।সোহান চারুর হালকা

লিপিষ্টিক ওয়ালা ঠোটটা আলতো করে তার

ঠোট দিয়ে চেপে ধরে না*ড়তে লাগলো।সোহান

চারুকে উচু করে নিয়ে হোটেলের বেডে ফেলে

দিলো।বেডে উঠে সে চারুর কোমড়ে চুমু

দিতেই চারু সোহানকে তার বুকে জড়িয়ে

ধরলো।সোহান মুখ তুলে চারুর ঠোঠে আবার

ঠোট লাগিয়ে দিলো।চারুকে শক্ত করে ধরতেই

চারু কিছুটা ভয় পেয়ে গেলো।সোহান একটা

কম্বল দিয়ে তাদেরকে ঢেকে নিয়ে চারুর

উপর শা*রীরিক অ*ত্যাচার শুরু করে দেই।

চারুকে তার বোন বলেছিলো বাসর রাতে

হাজার কষ্ট হলেও একদম কাদবি না?

তাই চারু সোহানকে শক্ত করে ধরে চোখের

পানি ফেলছিলো।কিন্তু সেদিকে সোহানের

কোনো খেয়াল ছিলোনা।কিছুক্ষন পর সোহান

দুর্বল হয়ে চারুর বুকে নুয়ে পড়ে।চারুকে

একটা চুমু দিয়ে দেখে চারুর চোখে পানি

যেটা সোহান একদম সহ্য করতে পারেনা।

--- এই তুমি কাদছো কেন?

--- কই নাতো চোখে এমনিতেই জল এসেছে।

সোহান বিছানা থেকে চারুকে তুলে নিজের

হাতে শাড়িটা পড়িয়ে দিলো।চারুকে এভাবে

প্রথম কেউ টার্চ করাতে চারু কিছুটা লজ্জা

পেলো।দুজনেই ফ্রেশ হতে চলে গেলো।

কিছুক্ষন সোহান ফ্রেশ হয়ে এসে দেখে চারু

আয়নার সামনে বসে চুলগুলো নাড়ছে।

বেনারসি শাড়িতে ভেজা চুলে চারুকে আরো

সুন্দর লাগছিলো।সোহান চারুকে আয়নার

সামনেই কোলে উঠিয়ে ছাদের দিকে রওনা

দিলো।

--- এই এই একি করছো?ছাড়ো বলছি?

--- নাহ ছাড়বো না।

--- দুষ্টু এত্ত ভালোবাসা পেয়েও পে*ট

ভ*রেনা?

--- না তাইতো কোলে নিয়েছি।

চারু সোহানের বুকে ঘুষি মারতে লাগলো।

সোহান চারুকে নিয়ে ছাদে গিয়ে নামিয়ে

দিলো।চারু কিছুটা অবাক হয়ে চারদিকে

তাকিয়ে রইলো।চারদিকে আলোই ভরা আর

ছাদের মাঝখানে একটা সুন্দর কেক রাখা

আছে।চারু সোহানের দিকে তাকাতেই সোহান

চারুকে হ্যাপি বার্থডে জানালো।ততক্ষনে

মনে পড়লো আজকে তার জন্মদিন।সে সোহানকে

জড়িয়ে ধরলো।

সোহান চারুকে নিয়ে কেক কাটলো।দুজন

দুজনকে খুশির সাথে খাইয়ে দিলো।হটাৎ চারু

খেয়াল করলো সোহানের চোখে জল,,

--- এই কাদছো কেন?

--- কিছুনা তোমাকে দেখে চোখে জল চলে

এসেছে।

--- হুম।জানিতো এই বাদর ছেলে আমাকে

অনেক ভালোবাসে।

--- হুম।অনেক?

---- আমিও না তোমাকে অনেক ভালোবাসি।

--- তাহলে অন্যকাউকে বিয়ে করতে কষ্ট

হচ্ছিলো না?

--- অন্যকেউ মানে?আমিতো তোমাকেই বিয়ে

করেছি।

সোহান তখন কথাটা অন্যদিকে ঘুরিয়ে নেই।

চারুকে কিছু বুঝতে না দিয়ে সে অন্যকথা

বলতে থাকে।রাত প্রাই ৮ টা বাজে সোহান

চারুকে নিয়ে ছাদ থেকে নেমে এলো।রুম

থেকে সবকিছু নিয়ে বাইরে এলো।আগে থেকেই

গাড়ি রেডি ছিলো সে চারুকে গাড়িতে

বসিয়ে দিলো।

--- কি হলো সোহান এতো রাতে কোথাই

যাবে?

--- তুমি এখন বাড়িতে যাও?

--- কেন আমাদের তো তোমার বাসায় যাবার

কথা?

--- তোমার বাবা ফোন দিয়ে বললো তোমার

মা নাকি অনেক অসুস্থ তাই তোমাকে

তাড়াতাড়ি যেতে বলেছে।

--- চলোনা তুমিও সাথে আসো?

--- নাহ থাক আমার একটু কাজ আছে?তুমি বসো

ডাইভার তোমাকে পৌছে দেবে।

--- তাহলে আবার কাদছো কেন?

--- এমনিই তুমি চলে যাচ্ছো তাই কষ্ট

হচ্ছে।

--- তাহলে একসাথে যাই?

--- নাহ থাক তুমি যাও।

চারু গাড়ি থেকে নেমে সোহানকে জড়িয়ে

ধরলো।</p>

সোহান চারুকে বলতে চাচ্ছিলো চারু আমাকে

মাফ করে দিও কিন্তু বলতে পারলো না।সে

যে অপরাধ করেছে এটার ক্ষমার যোগ্য না।

একটা মেয়েকে এভাবে ধ**র্ষন করাটা একদম

ঠিকনা।সোহান চারুকে গাড়িতে তুলে দিলো।

গাড়িটা ছেড়ে চলে যেতে লাগলো সোহানের

পাশ থেকে।যতোদুর পর্যন্ত দেখা যাচ্ছিলো

সোহান ততক্ষন দেখেই যাচ্ছিলো।গাড়িটা

অদৃশ্য হবার পর সোহান তার বাড়ির দিকে

হেটেই রওনা দিলো।তাহলে আসুন জেনে

নেওয়া যাক এদের আসল কাহীনিটা,,


গল্পঃবাসর রাত

পর্বঃ ০১ 

চলবে............

সবার সাড়া পেকে নেক্স আসবে নইলে আর দিবো না

Comments