Recent Post

Education/hot-posts

বাসর রাত

 


(১৮+ এলার্ট)


--- আচ্ছা বাবু এই কন*ডম দিয়ে কি করবে?

--- এটা দিয়ে করলে কোন মেডিক্যাল প্রমান

থাকবে না।

--- বাবু আমার না ভয় করছে?ব্য*থা লাগবে

না তো?

--- আমাকে জড়িয়ে ধরলে তুমি সব ভুলে

যাবে।

--- বাবু বড় বোন বলেছে অনেক ক*ষ্ট হয়।

--- আহ এতো চিন্তা কিসের দেখবে সব ঠিক

হয়ে যাবে।

এটা বলে সোহান চারুর দিকে এগিয়ে গেলো।

চারুর লাল বেনারসি শাড়িটা খুলে ফেললো।

চারুকে দেওয়ালের সাথে চেপে ধরে কোমড়ে

হাত দিয়ে চাপ দিতেই চারু চোখ বুজে

নিলো।চারুকে কাছে টেনে বুকের সাথে বুক

লাগিয়ে চারুর নাকের সাথে নাক লাগিয়ে

দিলো।চারু কিছুটা আতকে উঠে জোড়ে জোড়ে

নিষ্শাষ নিতে লাগলো।সোহান চারুর হালকা

লিপিষ্টিক ওয়ালা ঠোটটা আলতো করে তার

ঠোট দিয়ে চেপে ধরে না*ড়তে লাগলো।সোহান

চারুকে উচু করে নিয়ে হোটেলের বেডে ফেলে

দিলো।বেডে উঠে সে চারুর কোমড়ে চুমু

দিতেই চারু সোহানকে তার বুকে জড়িয়ে

ধরলো।সোহান মুখ তুলে চারুর ঠোঠে আবার

ঠোট লাগিয়ে দিলো।চারুকে শক্ত করে ধরতেই

চারু কিছুটা ভয় পেয়ে গেলো।সোহান একটা

কম্বল দিয়ে তাদেরকে ঢেকে নিয়ে চারুর

উপর শা*রীরিক অ*ত্যাচার শুরু করে দেই।

চারুকে তার বোন বলেছিলো বাসর রাতে

হাজার কষ্ট হলেও একদম কাদবি না?

তাই চারু সোহানকে শক্ত করে ধরে চোখের

পানি ফেলছিলো।কিন্তু সেদিকে সোহানের

কোনো খেয়াল ছিলোনা।কিছুক্ষন পর সোহান

দুর্বল হয়ে চারুর বুকে নুয়ে পড়ে।চারুকে

একটা চুমু দিয়ে দেখে চারুর চোখে পানি

যেটা সোহান একদম সহ্য করতে পারেনা।

--- এই তুমি কাদছো কেন?

--- কই নাতো চোখে এমনিতেই জল এসেছে।

সোহান বিছানা থেকে চারুকে তুলে নিজের

হাতে শাড়িটা পড়িয়ে দিলো।চারুকে এভাবে

প্রথম কেউ টার্চ করাতে চারু কিছুটা লজ্জা

পেলো।দুজনেই ফ্রেশ হতে চলে গেলো।

কিছুক্ষন সোহান ফ্রেশ হয়ে এসে দেখে চারু

আয়নার সামনে বসে চুলগুলো নাড়ছে।

বেনারসি শাড়িতে ভেজা চুলে চারুকে আরো

সুন্দর লাগছিলো।সোহান চারুকে আয়নার

সামনেই কোলে উঠিয়ে ছাদের দিকে রওনা

দিলো।

--- এই এই একি করছো?ছাড়ো বলছি?

--- নাহ ছাড়বো না।

--- দুষ্টু এত্ত ভালোবাসা পেয়েও পে*ট

ভ*রেনা?

--- না তাইতো কোলে নিয়েছি।

চারু সোহানের বুকে ঘুষি মারতে লাগলো।

সোহান চারুকে নিয়ে ছাদে গিয়ে নামিয়ে

দিলো।চারু কিছুটা অবাক হয়ে চারদিকে

তাকিয়ে রইলো।চারদিকে আলোই ভরা আর

ছাদের মাঝখানে একটা সুন্দর কেক রাখা

আছে।চারু সোহানের দিকে তাকাতেই সোহান

চারুকে হ্যাপি বার্থডে জানালো।ততক্ষনে

মনে পড়লো আজকে তার জন্মদিন।সে সোহানকে

জড়িয়ে ধরলো।

সোহান চারুকে নিয়ে কেক কাটলো।দুজন

দুজনকে খুশির সাথে খাইয়ে দিলো।হটাৎ চারু

খেয়াল করলো সোহানের চোখে জল,,

--- এই কাদছো কেন?

--- কিছুনা তোমাকে দেখে চোখে জল চলে

এসেছে।

--- হুম।জানিতো এই বাদর ছেলে আমাকে

অনেক ভালোবাসে।

--- হুম।অনেক?

---- আমিও না তোমাকে অনেক ভালোবাসি।

--- তাহলে অন্যকাউকে বিয়ে করতে কষ্ট

হচ্ছিলো না?

--- অন্যকেউ মানে?আমিতো তোমাকেই বিয়ে

করেছি।

সোহান তখন কথাটা অন্যদিকে ঘুরিয়ে নেই।

চারুকে কিছু বুঝতে না দিয়ে সে অন্যকথা

বলতে থাকে।রাত প্রাই ৮ টা বাজে সোহান

চারুকে নিয়ে ছাদ থেকে নেমে এলো।রুম

থেকে সবকিছু নিয়ে বাইরে এলো।আগে থেকেই

গাড়ি রেডি ছিলো সে চারুকে গাড়িতে

বসিয়ে দিলো।

--- কি হলো সোহান এতো রাতে কোথাই

যাবে?

--- তুমি এখন বাড়িতে যাও?

--- কেন আমাদের তো তোমার বাসায় যাবার

কথা?

--- তোমার বাবা ফোন দিয়ে বললো তোমার

মা নাকি অনেক অসুস্থ তাই তোমাকে

তাড়াতাড়ি যেতে বলেছে।

--- চলোনা তুমিও সাথে আসো?

--- নাহ থাক আমার একটু কাজ আছে?তুমি বসো

ডাইভার তোমাকে পৌছে দেবে।

--- তাহলে আবার কাদছো কেন?

--- এমনিই তুমি চলে যাচ্ছো তাই কষ্ট

হচ্ছে।

--- তাহলে একসাথে যাই?

--- নাহ থাক তুমি যাও।

চারু গাড়ি থেকে নেমে সোহানকে জড়িয়ে

ধরলো।</p>

সোহান চারুকে বলতে চাচ্ছিলো চারু আমাকে

মাফ করে দিও কিন্তু বলতে পারলো না।সে

যে অপরাধ করেছে এটার ক্ষমার যোগ্য না।

একটা মেয়েকে এভাবে ধ**র্ষন করাটা একদম

ঠিকনা।সোহান চারুকে গাড়িতে তুলে দিলো।

গাড়িটা ছেড়ে চলে যেতে লাগলো সোহানের

পাশ থেকে।যতোদুর পর্যন্ত দেখা যাচ্ছিলো

সোহান ততক্ষন দেখেই যাচ্ছিলো।গাড়িটা

অদৃশ্য হবার পর সোহান তার বাড়ির দিকে

হেটেই রওনা দিলো।তাহলে আসুন জেনে

নেওয়া যাক এদের আসল কাহীনিটা,,


গল্পঃবাসর রাত

পর্বঃ ০১ 

চলবে............

সবার সাড়া পেকে নেক্স আসবে নইলে আর দিবো না

এক_ফ্রেমে_তুমি_আমি _____পর্বঃ০১

 এক_ফ্রেমে_তুমি_আমি



#পর্বঃ০১

.

.

"কে আছো বাচাও!বাচাও!বাচাও!আল্লাহ প্লিজ বাচাও!এই বজ্জাতের থেকে বাচাও আমাকে।আজ মনে হয় আমাকে খেয়েই ফেলবে।নাহ!!এখনোতো পিছন পিছন দৌড়াচ্ছে।আচ্ছা কুত্তা পিছনে পড়লে আপু জানি মনে মনে কি পড়তো?ও হ্যাঁ মনে পড়েছে কুত্তা তোর বাপের নাম কি?কুত্তা তোর মায়ের নাম কি?"


আয়রা চোখ বন্ধ করে এগুলো বলতে বলতে দৌড়াচ্ছে।হঠাৎ কিছু একটার সাথে বাড়ি খেয়ে পড়ে গেলো।মনে মনে বলল সামনে পিলার আসলো কই থেকে।এটা বলেই চোখ খুলে দেখলো একটা ছেলে ওর সামনে দাড়িয়ে আছে।আয়রা মনে মনে বলল ও তাহলে এটা পিলার না।তারপর উঠে দাড়িয়ে বলল"এই যে রাস্তার মাঝে পিলারের মতো দাড়িয়ে আছেন কেনো?"


সায়ান্ত ভ্রু কুচকে বলল"আর ইউ মেড?আমি পিলারের মতো দাড়িয়ে আছি নাকি আপনি দৌড়ে এসে আমার গায়ের উপর পড়ে গেছেন।"


"ইয়া খোদা কি মিথ্যে কথা আমি আপনার গায়ের ওপর পড়ছি নাকি আপনি আমাকে ফেলে দিছেন।"


"আপনার সাথে কি আমার শত্রুতা আছে নাকি যে আমি আপনাকে ফেলে দেবো।আর দৌড়াচ্ছিলে কেনো?"


"একটা কুত্তা সরি কুকুর পিছনে পড়ছিলো তাই।"


সায়ান্ত এদিক ওদিক তাকিয়ে বলল"কই কোনো কুকুরই তো দেখে যায় না।"


আয়ারা পিছনে তাকিয়ে অবাক হয়ে বলল"গেলো কোথায়?এখনইতো আমার পিছন পিছন আসছিলো।"


সায়ান্ত দাত কেলিয়ে বলল"এই বয়সেও কুকুর ভয় পান!!"


এই কথা শুনে আয়রার পিত্তি জ্বলে গেলে সে সিনা টান করে বলল"আমি কিছুই ভয় পাই না।"


সায়ান্ত আবার দাত কেলিয়ে বলল"হ্যাঁ এইজন্যই তো ভো দৌড় দিচ্ছিলেন।"


"সে সেটা তো আমি জগিং করছিলাম।"


"তাই নাকি!!তো বিকেলে কেউ জগিং করে নাকি?"


"আমি করি।আপনার কোনো সমস্যা?"


"নাহ!!কোনো সমস্যা নাই।আচ্ছা বাই আমার কুকুরটা চলে এসেছে।"


কুকুরের কথা শুনে আয়রা ভয়ে সায়ান্তের শার্ট আকড়ে ধরে চোখ বন্ধ করে বলল"আ আপনার কু কুত্তা কি কা কামড়ায়?"


সায়ন্ত খুব কষ্টে হাসি আটকে রেখে বলল"হুম কামড়ায় তো।আর আমার কুকুর কামড়ালে তোমাকে বত্রিশটা ইন্জেকশন দিতে হবে।"


আয়রা আর ভয় পেয়ে বলল" কককক কি! এএএত্তো গুলো ইন্জেকশন।আপনার কুকুরটাকে বলেন না চলে যেতে।"


"কেনো তুমি না কুকুর ভয় পাও না।"


"পপপপাই। অঅঅনেক ভয় পপাই।চলে যেতে বলেন না প্লিজ।"


এবার সায়ান্ত হেসে দিলো।সায়ান্তর হাসির আওয়াজ শুনে আয়রা পিছনে তাকিয়ে দেখলো কোনো কুকুর নেই।তার মানে ওকে বোকা বানানো হইছে।আয়ারা রেগে বলল"ইতড় ছেলে।আপনি আমাকে বোকা বানালেন কেনো?"


"তুমি মিথ্যে বলছিলে তাই।মিথ্যে বলে আমার কাছে কেউ পার পায় না।"


আয়রা দাত কিড়মিড় করে চুপিচুপি পানির বোতলটা বের করে ঢাকনা টা খুলে সায়ান্ত ভিজিয়ে দিয়েই ভো দৌড়।সায়ন্ত হতভম্ব হয়ে তাকিয়ে আছে।পুরো শার্টটা ভিজিয়ে দিয়েছে।আয়রা পিছনে ফিরে সায়ন্তকে ঙেংচি কেটে আবার দৌড় দিলো সায়ান্ত পিছন পিছন ছুটলো কিন্তু ধরতে পারলো না।তার আগেই আয়রা রিকশায় উঠে পড়লো তারপর পিছনে তাকিয়ে সায়ান্তর দিকে চেয়ে দাত কেলালো।


সায়ান্ত আয়রাকে ধরতে না পেরে দাত কিড়মিড় করতে করতে চলে গেলো।

৳.

.

.

.

.

আয়রা বাসায় এসে কলিং বেল বাজালো একটুপর মিম এসে দরজা খুলে দিলো।আয়রা ঘরে ঢুকে বলল"কি রে রিয়া কই?"


"ঘুমায়।"


"ওহ,আমি একটু নাটক দেখি।একটু হটস্পট দিবি?"


মিম উদাস গলায় বলল"দোস্ত এক্কেবারে ফইন্নি হইয়া গেছি।একটা এমবিও নাই।"


"তাইলে এখন দেখমু কেমনে?"


"শোন একটা বুদ্ধি আছে।"


"কি বুদ্ধি?"


"পাশের ফ্য্লাটে ওয়াইফাই আছে।দেখি চাইলে পাসওয়ার্ড টা দেয় কি না।"


"পাশের ফ্য্লাটে কারা থাকে?"


"আজকে চারটা ব্যাচেলর ছেলে উঠছে।"


"ও তাইলে তো নেওয়া ই যায়।চল গিয়া একটু পাসওয়ার্ড টা চাই।"


মিম আর আয়রা দরজা খুলে পাশের ফ্য্লাটে টোকা দিলো।একটুপর একটা ছেলে দরজা খুলতেই আয়রা বলল"হাই,আমি মুমতাহিনা আয়রা।আর ও আমার ফ্রেন্ড মিম তালুকদার।আপনি?"


"নিরব হাসান।" ছেলেটা হালকা হেসে বলল।


৳"ওহ!!আপনি কোন ভার্সিটিতে? 


"জগন্নাথ।আপনারা?"


"ওয়াও আমরাও।কোন ইয়ার?"


"ফোর্থ ইয়ার।আপনার?"


"ফার্স্ট ইয়ার।আপনি কি একাই থাকেন এখানে?"


"না আমার তিনটা ফ্রেন্ড আর আমি।"


"ওহ!!যদি কিছু মনে না করেন তাহলে ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড টা দিবেন?"


"আসলে আমিতো জানিনা।সায়ান্ত জানে।ও আসুক তখন আপনারা ওর থেকে চেয়ে নিয়েন।"


"ওহ!উনি কখন আসবেন?"


"এইতো একটু পরই।"


"আচ্ছা।বাই।"


মিম আর আয়রা ওদের ফ্য্লাটে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিলো।তারপর মিম বলল"দেখছিস কি শয়তান বলে কি না পাসওয়ার্ড কি সে জানে না।"


"পাসওয়ার্ড তো আমি নিয়েই ছাড়বো।খালি সায়ান্ত নাকি বায়ান্ত ওইটাকে আসতে দে।"


মিম হেসে বলল"যদি না দেয়?"


"চাপাতি দিয়া পিছ পিছ করবো।"


মিম আবার হাসলো সাথে আয়রাও হাসলো।

.

.

.

.

.

রাত আট টা সায়ান্ত বাসায় এসে কলিং বাজাতেই নিরব দরজা খোলার আগেই ওই পাশের ফ্য্লাট থেকে আয়রা দরজা খুলে বলল"এক্সকিউজ মি।"


একটা মেয়ে গলা পেয়ে সায়ান্ত পিছনে ঘুরে আয়রাকে দেখেই বলল"ইউ!"


আয়রাও অবাক হয়ে বলল"আপনি?"


"আপনি এখানে কি করেন?"


আয়রা বলল"তার আগে বলেন আপনি এখানে কি করেন?"


"এখানে আমি থাকি।"


"আমিও থাকি এখানে।"


ওদের কথার মধ্যে নিরব আর মিম দুজনেই চলে আসলো।তারপর নিরব বলল"দোস্ত ওরা বলছে ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড দিতে।"


সায়ান্ত মুখ বেকিয়ে বলল"গার্লস নট এলাও।বয়েজরা হলে দিতাম।"


এবার আয়রা রেগে বলল"আমিও দেখি আমাদের না দিয়ে কিভাবে ওয়াইফাই চালায়।"


এটা বলে মিমকে নিয়ে দরজা অফ করে দিলো।সায়ান্তও রুমে ঢুকে দরজা অফ করে দিলো।রুমে এসে আয়রা বলল"লাউড দিয়ে গান ছাড় যাতে পড়তে না পরে।"


মিমও গান ছেড়ে দিলো লুঙ্গি ডান্স।গানের শব্দে রিয়া ঘুম থেকে উঠে বলল"কি রে পাগল হইছিস এতো জোরে গান ছাড়ছিস কেনো?"


"পাশের ফ্য্লাটের বান্দর গুলোকে টাইট দেওয়ার জন্য।"


ছেলেদের টাইট দিতে রিয়ার ভালোই লাগে তাই আর কোনো কথা না বলে তিনজনই ওরা ধুরা লুঙ্গি ডান্স দিতে লাগলো।এক মিনিট পার হতে না হতেই দরজায় কে যেনো নক করলো।আয়রা গিয়ে দরজা খুলতেই সায়ন্ত বলল"কি সমস্যা?এতো জোরে কেউ গান চালায়?"


"আপনার সমস্যা আমাদের না।আমরা নিজেদের ফ্য্লাটে চালাইছি।ওকে সো স্টপ ইউর থোতা।নাহলে থোতাটা ভোতা করে দেবো।"


"বেয়াদব কোথাকার।ঠিকাছে কাল ভার্সিটি আসো এমন রেগিং দিবো যে বলবে ছাইড়া দে বাবা কাইন্দা বাচি।"


"ওকে দেখি কি করেন।কিন্তু গান বন্ধ হচ্ছে না।"


পিছন থেকে নিরব এসে বলল"বোইন গানটা বন্ধ করো না প্লিজ পড়তে বসতে পারছি না।"


আয়ারার পিছন থেকে মিম এসে বলল"ওখে তবে আমাদের ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড টা দিতে হবে।"


নিরব পাসওয়ার্ডটা ওদের দিয়ে দিলো।সায়ান্ত রেগে ঘরে চলে গেলো।নিরবও পিছন পিছন গেলো।সায়ান্ত নিরবের কলার ধরে বলল"শালার পুত ওই শাকচুন্নি ডাইনিদের ওয়াইফাই দিতে গেলি কেনো?"


"না দিলেতো শান্তিতে ঘুমাতে দিতো না।"


"দাড়া কাল যদি ওদের শায়েস্তা না করছি আমার নামও সায়ান্ত রহমান না।"

.

.

.

.

.

পরেরদিন মিম, আয়রা আর রিয়া ভার্সিটিতে গেলো।ওদের দেখে সায়ান্ত ডাক দিলো।ওর সাথে নিরব আর সাজিদ,নিলয়ও ছিলো।আয়রা ওদের দিকে এগুতে এগুতে মিম আর রিয়াকে বলল"এখন আমাদের রেগিং করবে শয়তান গুলা।শোন একদম ভয় পাবি না।"


ওরা আসতেই সায়ান্ত বলল"কি খবর তোমাদের?"


"ভালো।" আয়রা দায়সারা জবাব দিলো।


সায়ান্ত বাকা হেসে বলল"ওকে তাহলে এখন থেকে ভালো থাকবে না।আমি তোমাদের সিনয়র সো নো বেয়াদবি।যাও ভার্সিটির ক্যাম্পাসে গিয়ে কান ধরে দশবার উঠবে আর বসবে।


আয়রা রেগে বলল"কেনো?"


"আমি বলেছি তাই।যাও এখনি।"


আয়রা দাত মুখ খিচে ক্যাম্পাসে গিয়ে কান ধরে উঠবস করলো।সবাই ওর দিকে তাকিয়ে হাসছে আবার কেউ ভিডিও করছে।আয়রা মনে মনে বলছে"এর শোধ যদি আমি না তুলেছি তাহলে আমার নামও আয়রা না।"


উঠবস করে কারো সাথে কথা না বলে চলে গেলো আয়রা।সাথে মিম আর রিয়াও গেলো।ক্লাস শেষে আয়রা সায়ান্তর সামনে আসলো।সায়ান্ত ওর দিকে চেয়ে বলল"কিছু বলবে?"


"হ্যাঁ বলবো।তবে কানে কানে।"


"কিহ!"


"হ্যাঁ এই কথা শুধু আমি আপনাকেই বলবো।"


সায়ান্তর আয়রার কথা ঠিক লাগছে না।ও বলল"না কানেকানে বলা লাগবে না।এভাবেই বলো।"


"না না প্লিজ।"


আয়রার জোরাজোরিতে সায়ান্ত রাজি হলো।আয়রা ওর কান বরাবর মুখ নিয়ে জোরে একটা চিল্লানি দিয়ে ভো দৌড়।ঘটনার আকষ্মিকতায় সায়ান্ত কিছুই বুঝলো না।যখন বুঝতে পারলো সাথে সাথে আয়রার পিছনে দৌড়াতে লাগলো।আয়রা দৌড়াতে দৌড়াতে সামনে দেখলো একটা কুকুর আসছে আর পিছনে সায়ান্ত কি করবে এখন।


চলবে...


#এক_ফ্রেমে_তুমি_আমি

#পর্বঃ০১

জামাল কুদু’ গানে ‘ভাইরাল’ কে এই নৃত্যশিল্পী

 

ইউটিউবে, টিকটকে, ফেসবুক রিলসে কিংবা স্পটিফাইয়ে—সবখানেই বাজছে ইরানের লোকসংগীত ‘জামাল কুদু’। বলিউডের ‘অ্যানিমেল’ সিনেমার বদৌলতে এই গানের সুরে মজেছেন শ্রোতারা। এই গানে অল্প সময়ের জন্য হাজির হয়েই চমক দেখিয়েছেন এক তরুণ নৃত্যশিল্পী; তাঁকে নিয়ে বিস্তর চর্চা চলছে সামাজিক মাধ্যমে।

১/৪

 


তিনি ইরানের মডেল ও নৃত্যশিল্পী তানাজ দাভুদি। ‘জামাল কুদু’ গানের বদৌলতে রাতারাতি পরিচিতি পেয়েছেন তিনি। তানি নামেও পরিচিত এই মডেল।
ছবি: শিল্পীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

 



কয়েক বছর ধরে ভারতে কাজ করছেন তিনি। ব্যাকগ্রাউন্ড নৃত্যশিল্পী হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেছেন। এরই মধ্যে বরুণ ধাওয়ান, জন আব্রাহাম, নোরা ফাতেহি, সানি লিওনির মতো তারকাদের সঙ্গে নাচতে দেখা গেছে তাঁকে । ছবি: শিল্পীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
কয়েক বছর ধরে ভারতে কাজ করছেন তিনি। ব্যাকগ্রাউন্ড নৃত্যশিল্পী হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেছেন। এরই মধ্যে বরুণ ধাওয়ান, জন আব্রাহাম, নোরা ফাতেহি, সানি লিওনির মতো তারকাদের সঙ্গে নাচতে দেখা গেছে তাঁকে। ছবি: শিল্পীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

তানাজের জন্ম ইরানের তেহরানে। তিনি ফ্যাশন ডিজাইনে পড়াশোনা করেছেন। ছবি: শিল্পীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

মাত্র ২১ বছরে আয় কোটি কোটি! কী কাজ করে এত টাকার মালিক বাঙালি মেয়ে


 জন্মসূত্রে তিনি বাঙালি। বয়স মাত্র ২১ বছর। তবে ইতিমধ্যেই তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ শুনলে চমকে যাবেন!


কে তিনি কী করেন? কীভাবে বা এত টাকা তাঁর পকেটে? আসুন এই তন্বীকে চিনে নেওয়া যাক টিভি নাইন বাংলার এই প্রতিবেদনে।




এই সুন্দরী কন্যের নাম অনুষ্কা সেন। অনুষ্কা পেশায় অভিনেত্রী ও মডেল। সেখান থেকে তাঁর আয় বেশ ভাল। ধারাবাহিকে অভিনয় করেন।



সূত্র জানাচ্ছে, ধারাবাহিক প্রতি এপিসোডে নাকি লক্ষাধিক টাকা পারিশ্রমিক পান তিনি। আয়ের আরও জায়গা রয়েছে।




বয়স ২১ হলে কী হবে, এখনই তাঁর ইনস্টাগ্রামে অনুরাগীর সংখ্যা প্রায় ৪০ মিলিয়ন! মাসে তাঁর আয় শুনলেও চোখ কপালে উঠবে।




মাস প্রতি নাকি প্রায় ৫ লক্ষ টাকা আয় করেন এই নায়িকা। ইনস্টাগ্রামে একটা পোস্ট করতেও টাকা নেন তিনি।




তাঁর মোট সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ২০ কোটির মতো। প্রতি দিন ক্রমশ তা বেড়েই চলেছে। শুধু কি আয়? জীবনযাত্রা দেখলেও চোখ ঝলসে যাবে।
দামি গাড়ি, বিলাসবহুল বাড়ি কী নেই অনুষ্কার! 'বাল বীর', 'ঝাঁসি কি রানি'র মতো জনপ্রিয় ধারাবাহিকে দেখা গিয়েছে তাঁকে। ছোট থেকে অভিনয় করেও হারিয়ে যাননি তিনি। ভবিষ্যতে নিজেকে একজন সফল নায়িকা হিসেবে দেখতে চান তিনি।



ভারতে অ্যাপল ও স্যামসাংয়ের যন্ত্র ব্যবহারকারীদের বাড়তি সতর্ক থাকার নির্দেশনা

 


সম্প্রতি ভারতে অ্যাপল ও স্যামসাংয়ের বিভিন্ন যন্ত্র ব্যবহারকারীদের বাড়তি সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে দেশটির কম্পিউটার নিরাপত্ত সংস্থা দ্য ইন্ডিয়ান কম্পিউটার ইমারজেন্সি রেসপন্স টিম (সার্ট-ইন)। তারা স্যামসাং ও অ্যাপলের পণ্যে এমন কিছু ত্রুটির সন্ধান পেয়েছে, যেগুলোর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা সহজেই হ্যাকিংয়ের শিকার হতে পারেন।

সার্ট-ইন থেকে জানানো হয়েছে, অ্যাপলের আইফোন, আইপ্যাড, অ্যাপল টিভি ও অ্যাপল ওয়াচের অপারেটিং সিস্টেম এবং সাফারি অ্যাপে ত্রুটি রয়েছে। হ্যাকাররা এই ত্রুটি ব্যবহার করে সহজেই মুঠোফোনের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে। এর আগে স্যামসাংয়ের মুঠোফোনেও একই ধরনের ত্রুটির কথা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। বিশেষ করে স্যামসাংয়ে ব্যবহৃত অ্যান্ড্রয়েড ১১, ১২, ১৩ এবং ১৪ অপারেটিং সিস্টেমে ত্রুটি পাওয়া গেছে।

এই ত্রুটি ব্যবহার করে হ্যাকাররা মুঠোফোনের নিরাপত্তা ভেদ করে একান্ত ব্যক্তিগত তথ্য, ব্যাংক হিসাব ইত্যাদির তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি সাময়িক সময়ের জন্য মুঠোফোনকে অকেজো করে দিতে পারে।অ্যাপল ও স্যামসাংয়ের মুঠোফোনে ত্রুটি থাকার অর্থ, বর্তমানে কোনো যন্ত্রই হ্যাকারদের হাত থেকে নিরাপদ নয়। এ ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের আরও সতর্ক থাকতে হবে। ফোনে অপরিচিত কোনো মেসেজ বা বার্তা এলে সতর্ক হয়ে যেতে হবে।


ইন্টারনেটে ওয়েবসাইট দেখার সময় বা নতুন কোনো অ্যাপ্লিকেশন নামানোর ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে বলা হচ্ছে। পাশাপাশি সব সময় স্মার্টফোনের অপারেটিং সিস্টেম হালনাগাদ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

যুব এশিয়া কাপের নতুন চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

 

বড় সংগ্রহ গড়ে জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন ব্যাটাররাই। পরে বোলাররা দারুণ বোলিং প্রদর্শনীতে প্রতিপক্ষের ব্যাটিং লাইনআপ রীতিমতো ধসিয়ে দিলেন।




আর তাতে বিশাল জয়ে প্রথমবারের মতো যুব এশিয়া কাপের শিরোপা জিতলো বাংলাদেশ।  

২০২৩ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে আজ সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ১৯৬ রানের ব্যবধানে হারিয়ে বাংলাদেশের ছেলেরা।

দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে ২৮৩ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ। জবাবে ৮৭ রান তুলতেই সব উইকেট হারিয়ে ফেলে আমিরাতের যুবারা।

সবমিলিয়ে আসরের অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হলো টাইগার যুবারা। সেটিও রেকর্ড গড়ে।

যুব এশিয়া কাপ ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে বড় জয়। আগেরটি ছিল আফগানিস্তানের, ২০১৭ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৮৬ রানে জিতেছিল তারা।

এবারের আগে মাত্র একবার অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের ফাইনালে উঠেছিল বাংলাদেশ। ২০১৯ আসরে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে ভারতের কাছে হেরে যায় যুব টাইগাররা। সবমিলিয়ে ১৯৮৯ সালে শুরু হওয়া যুব এশিয়া কাপে রেকর্ড আটবার শিরোপা জেতে ভারত। মাঝে ২০১৭ সালে চ্যাম্পিয়ন হয় আফগানিস্তান। অর্থাৎ বাংলাদেশের জয়ে যুব এশিয়া কাপ পেল নতুন চ্যাম্পিয়ন।

আজ লক্ষ্য তাড়ায় নেমে নড়বড়ে শুরু পায় আমিরাত। পঞ্চম ওভারে ওপেনার আরিয়ানশ শর্মাকে (৯) বিদায় করেন বাংলাদেশের পেসার মারুফ মৃধা। এরপর সপ্তম ওভারে ফের আঘাত হানেন মারুফ। এবার আরেক ওপেনার অক্ষত রাই (১১) বোল্ড করে ফেরেন ড্রেসিংরুমে। উইকেট পতনের মিছিল সেই থেকে শুরু। এরপর একে একে তানিশ সুরি (৬), এথান ডি'সুজা (৪) এবং আয়ান আফজাল খান (৫)-এর উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। পরের ৩টি উইকেটই নেন মিডিয়াম পেসার রোহানাত দৌল্লা বর্ষণ।  

দলীয় ১২ রানের প্রথম উইকেট হারানো আমিরাত পাওয়ার প্লে'তে হারায় আরও ৩ উইকেট। পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার পর দ্বাদশ ওভারেই যোগ হয় আরও এক উইকেট। সেই ধাক্কা আর সামলে উঠতে পারেনি আমিরাত। উইকেট পতনের মিছিলে যুক্ত হয় বাকিরাও। চারে নেমে হারের ব্যবধান কমানো ২৫ রানের ইনিংস খেলেন ধ্রুব।  

ফাইনালে উইকেট শিকারীর তালিকায় নাম লেখান বাংলাদেশের চার বোলার। এর মধ্যে মারুফ ও বর্ষণ ৩টি করে, ইকবাল হোসেন ইমন এবং পারভেজ রহমান জীবন পান২টি করে উইকেট।  

এর আগে আশিকুর রহমান শিবলির দারুণ এক সেঞ্চুরিতে ভর করে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের ফাইনালে আজ সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ২৮৩ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশের ছেলেরা। দুবাইয়ে আজ টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে অবশ্য ভালো শুরু পায়নি বাংলাদেশ। ওপেনার জিশান ইসলাম (৭) বিদায় নেন দ্রুতই। কিন্তু এরপর ১২৫ রানের জুটি গড়ে মোড় বদলে দেন শিবলি এবং চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান।  

রিজওয়ান ৭১ বলে ৬০ রান করে বিদায় নিলেও চাপে পড়েনি বাংলাদেশ। কারণ এরপর ফের আরিফুল ইসলামকে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আরেকটি জুটি গড়েন শিবলি। এর মাঝেই আসরে নিজের দ্বিতীয় সেঞ্চুরির দেখা পান তিনি। এই ম্যাচের আগের চার ম্যাচে ২টি ফিফটি ও একটি সেঞ্চুরি ছিল তার। আসরে একমাত্র ব্যাটার হিসেবে ৩৫০-এর বেশি রানও করেছেন শিবলি।  

শিবলি ধরে খেললেও অন্যপ্রান্তে আরিফুল হক রানের চাকা সচল রাখতে দারুণ ভূমিকা রাখেন। ব্যাট হাতে দৃষ্টিনন্দন কিছু শট খেলে তিনি তুলে নেন ফিফটিও।  ব্যক্তিগত ফিফটির পর অবশ্য টিকতে পারেননি আরিফুল। ৪০ বলে ৬ চারে সাজানো এই ইনিংসটি শেষ ১০ ওভারে বাংলাদেশের রানরেট ভালো রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু তার বিদায়ের পর দ্রুত আরেকটি উইকেট হারায় বাংলাদেশ।  

৫ বলে ৫ রান করে ড্রেসিংরুমের পথ ধরেন আহরার আমিন। মোহাম্মদ শিহাব জেমসও (৩) পারেননি দাঁড়াতে।  তবে অপরপ্রান্তে অটল থাকেন শিবলি। যদিও স্ট্রাইকরেট তুলনামূলক কম ছিল তার, তবে শেষদিকে অধিনায়ক মাহফুজুর রহমান রাব্বি মাত্র ১১ বলে ২ ছক্কা ১ চারে ২১ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে রানের গতি ঠিক রাখেন।  

শেষ ওভারে অবশ্য বেশি রান তুলতে পারেনি বাংলাদেশ। উইকেটও হারিয়েছে ৩টি। আমিরাতের পেসার আয়মান আহামেদের করা ওভারের দ্বিতীয় বলেই লং অনে ক্যাচ তুলে বিদায় নেন লোয়ার অর্ডার ব্যাটার রাব্বি। পঞ্চম বলে একই পথ ধরেন শিবলি। ১৪৯ বলে ১২৯ রানের ইনিংসটি খেলার পথে ১২টি চার ও ১ ছক্কা হাঁকান এই ওপেনার। ওভারের শেষ বলে অষ্টম উইকেট হিসেবে বিদায় নেন রোহানাত দৌল্লা বর্ষণ। ৮ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৮২ রান।

বল হাতে আমিরাতের আয়মান তুলে নিয়েছেন ৪ উইকেট। এছাড়া ওমিদ রহমান ২টি এবং হার্দিক পাই ও ধ্রুব পারাশার ১টি করে উইকেট নেন।

জন্মদিনে শাবনূরকে নিয়ে নতুন ছবির ঘোষণা, নায়ক মাহ

 তিন বছর পর দেশে ফিরেছেন শাবনূর। আবারও অভিনয়ে দেখা যাবে তাঁকে। আজ ১৭ ডিসেম্বর তাঁর জন্মদিন। এদিন সকালে প্রথম আলোর সঙ্গে দীর্ঘ আলাপ চলে। জানালেন তাঁর পরিকল্পনা। শোনা গেল, নতুন ছবিতেও অভিনয় করতে যাচ্ছেন। সেই ছবিরই স্ক্রিপ্ট রিডিং সেশনে ছিলেন শাবনূর। পান্ডুলিপি পড়ার ফাঁকে আড্ডার একাধিক স্থিরচিত্র এসেছে প্রথম আলোর কাছে। দেখে নেওয়া যাক, শাবনূর নতুন যে ছবিতে অভিনয় করতে যাচ্ছেন তাঁর সহশিল্পী ও পরিচালক কে?


নব্বইয়ের দাপুটে নায়িকা শাবনূর এক দশক ধরে অস্ট্রেলিয়ায় থাকেন। বাংলাদেশে আসা-যাওয়ার মধ্যে থাকেন। তবে দীর্ঘদিন নতুন চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন না। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে পরিবারের সবাইকে নিয়ে ঢাকায় এসেছেন। এসেই পারিবারিক বিভিন্ন কাজকর্মের পাশাপাশি নতুন সিনেমা নিয়েও আলোচনা করছেন। নতুন এই ছবিতে শাবনূর-মাহফুজ আহমেদকে একসঙ্গে দেখা যাবে।ছবি : শাবনূরের সৌজন্যে


মাহফুজ আহমেদকে সর্বশেষ ‘প্রহেলিকা’ চলচ্চিত্রে দেখা যায়। এই ছবির মাধ্যমে তাঁকে দীর্ঘ আট বছর পর বড় পর্দায় পাওয়া গেছে। ছবির পরিচালক চয়নিকা চৌধুরী। ‘প্রহেলিকা’ ছবিটি শাবনূর অস্ট্রেলিয়ার প্রেক্ষাগৃহে বসে উপভোগ করেন। এদিন সঙ্গে ছিলেন মাহফুজ আহমেদও। সেদিনই আভাস পাওয়া যায়, শাবনূর-মাহফুজকে একসঙ্গে নতুন ছবিতে দেখা যেতে পারে। অবশেষে সেটি প্রায় চূড়ান্ত। বাকি শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণা।
ছবি : শাবনূরের সৌজন্যে